Posts

আত্মার ব্যাধি ও প্রতিকার

Image
আমাদের আত্মার ব্যাধিগুলোর অন্যতম একটি ব্যাধি হচ্ছে, অন্যকে হিংসা করা। কারো কোন কর্মে জেলাসি ফিল করা। ভাবছেন এই আত্মার রোগ কিভাবে নির্ণয় করবেন? খুবই সহজ পদ্ধতি, যখন দেখবেন অন্যের ভালো কাজগুলো দেখে আপনার অসহ্য লাগছে! বা অন্যের ভালো কাজের কিংবা উন্নতির স্বীকৃতি দিতে আপনার মন সায় দিচ্ছেনা! ঠিক তখনই বুঝে নিবেন আপনার অন্তর এই ভয়াবহ আত্মিক রোগে আক্রান্ত। যা আপনাকে প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে অস্বস্তি দিচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভবত এ থেকে মুক্তির উপায় হলো, অন্যের প্রতি আপনার অন্তরে যত ক্ষোভ, হিংসা, খারাপ ভাবনা আছে! যেগুলো একদম ঝেড়ে ফেলুন। এবং নিজেকে সবসময় পজেটিভ চিন্তা ভাবনায় লিপ্ত রাখুন। সাথে আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে এই মানসিক রোগ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করুন। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই আপনি এ-থেকে মুক্তি পাবেন। #হিংসা #মানসিক_রোগ #পজেটিভ_ভাবনা

সময়ের গুরুত্ব

Image
সময়ের প্রতি যত্নশীল হোন। জীবনের এই সংক্ষিপ্ত যাত্রায় প্রতিটা সেকেন্ড আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ক্ষুদ্র এই জীবন থেকে এক সেকেন্ড অতিবাহিত হওয়া মানে একটি সেকেন্ডকে চিরতরে হারিয়ে ফেলা। চাইলেও সেই হারিয়ে যাওয়া সময়কে ফেরানো সম্ভব নয়। জীবনে যারা সফল হয়েছেন! তাদের জীবনে খুঁজে পাওয়া যায়, সময়ের প্রতি অপরিসীম গুরত্বের কথা। তারা কখনো অযথা সময় নষ্ট করেননি। আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু শয়তান। এই শয়তান আমাদেরকে বিভিন্ন কুমন্ত্রণা দিয়ে নানান অহেতুক কাজে লিপ্ত করে রাখে। জীবনের এই বড় শত্রুকে চিনতে শিখুন। তার পাতানো ফাঁদে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন না। জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোকে কাজে লাগান, সফল হোন। #সময় #জীবন #সময়ের_গুরুত্ব #জীবনের_গল্প

মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদর

Image
কদর একটি আরবি শব্দ। অভিধানে এর দুটি অর্থ পাওয়া যায়। একটি 'সম্মানিত' অপরটি 'সংকীর্ণকরণ' তবে প্রথম অর্থটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ লাইলুন শব্দের অর্থ যদি রাত হয়! আর কদর অর্থ যদি সম্মানিত হয় তাহলে তার অর্থ দাঁড়ায়; সম্মানিত রাত। কোনআন ও হাদিসে এই সম্মানিত বা মর্যাদাপূর্ণ রাতের অসংখ্য-অগণিত ফজিলত বর্ননা হয়েছে। এই রাত্রি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বর্নিত হয়, "লাইলাতুল কদর (কদরের রাত্রি) এমন একটি রাত্রি; যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম" (সুরা আল কদর-৩) হাদিসে নববীতে শবে কদরের রাত্রি সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তোমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছে যে মাসটি! তাতে এমন একটি রাত্রি রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। সুতরাং এই ফজিলতপূর্ণ রাত্রি থেকে যে বঞ্চিত হলো! সে যেন সমস্ত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হলো...। (সহিহ ইবনে মাজাহ-১৩৪১) অপর এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ সা. এই রাত্রিটি রমজানের কোন রাত্রি হবে তাও বলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, "তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে লাইলাতুল কদরকে (শবে কদরকে) অন্বেষণ করো।" (সহিহ বুখারী-২০১৭) অর্থাৎ এই হাদিস থেকে...

ইয়াওমে গাযওয়ায়ে বদর; বদর যুদ্ধ দিবস

Image
আজ ইসলামের প্রথম সফলতা অর্জনের ঐতিহাসিক বদর দিবস। মাহে রমজানে যে বছর মদিনায় প্রথম সিয়াম পালিত হয়, সেই দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ রমজান ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ সংঘটিত হয়েছিল বদর যুদ্ধ। এক হাজার সশস্ত্র মুশরিক সৈন্যদের সাথে লড়েছিলেন মাত্র তিনশো তেরোজন আসহাবে রাসুল সা.। ঈমানি বলে বলীয়ান থাকায় সাহাবী'রা পেয়েছিলেন আল্লাহর বিশেষ সাহায্য। আর এই বিশেষ (কুদরতি) সাহায্যের সাথে কী দুনিয়ার কোন পরাশক্তি মোকাবেলা করার সক্ষমতা রাখে? মোটেও নাহ। অবশেষে অবিশ্বাসীদের সাথে বিশ্বাসী সাহাবী'রা বদরে ঐতিহাসিক জয়লাভ করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এখন এমন কিছু লোক বের হয়েছে, যাদের সম্মুখে ইসলামের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা আলোচনা করলেই তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে যায়। তাদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়! কখনো কখনো তো এরা অবজ্ঞার সুরে এটাও বলে বসে, এগুলো নাকি প্রাচীন যুগের কথা! (নাউজুবিল্লাহ!) আসলে এদের মন ও মস্তিষ্কে শয়তান প্রস্রাব করে দিয়েছে তাই ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে পশ্চিমাদের চোখে দেখার চেষ্টা করে এবং পশ্চিমা সংস্কৃতি দ্বারা অতিরিক্ত প্রভাবিত হওয়ায় এদের অন্তরে একপ্রকার জটিল ব্যধিও সৃষ্টি হয়েছে। আল্...

ইস্তেগফারের ফজিলত

Image
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি যত্নের সহিত যথাযথভাবে ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তা'য়ালা তাকে সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। এবং সকল বিপদাপদ থেকে হেফাজতে রাখেন। এমনকি তার রিযিকের ব্যবস্থা এমন জায়গা থেকে করে দেন যে ব্যবস্থা সম্পর্কে ইতিপূর্বে তার ধারণাই ছিলনা। (আবু দাউদ) (কিছু ইস্তেগফার, সাথে বাংলা উচ্চারণ) أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتوبُ إِلَيْهِ [আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি] . অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ . [আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন কারীম, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা’অ্ফু ‘আন্নী] . অর্থ: হে আল্লাহ্! তুমি ক্ষমাশীল, মহানুভব! তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও। ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻻَ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ . [আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি] . অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ব্যতীত...

মানবসেবায় এগিয়ে আসুন! হাসিমুখে রক্ত দিন।

Image
মানব শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো বান্দার প্রতি আল্লাহ তা'আলার এক অশেষ নিয়ামত। তারমধ্যে রক্ত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ামত। মানুষ একদম রক্তশূণ্য হয়ে গেলে আর বেঁচে থাকতে পারেনা। আবার অতিরিক্ত রক্ত হয়ে গেলে বা রক্তচাপ বেড়ে গেলে কখনো কখনো অনেক বড় বিপদে পরে যাওয়ার আশংকা হয়। বিশেষত প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ একে অন্যের কাছে রক্ত চায়। জটিল সমস্যায় ভুক্তভোগী হয়েই মানুষ রক্তের প্রয়োজনবোধ করে। অনেকেই ভাবে আমি অন্যকে রক্ত দিলে হয়তো আমার রক্ত কমে যাবে! আসলে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। মানবদেহে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি রক্ত থাকে। তাই রক্তশূন্যতায় ভুগবেন এমন ভাবনা মোটেই সঠিক নয়। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, আমরা অনেকেই রক্ত দান করে আত্মতৃপ্তির সর্বশেষ পর্যায়ে চলে যাই! অথচ এখানে এত অতিরিক্ত কোনো কিছু ভাবার বিশেষ কোনো কারণ নেই। কারণ রক্ত আল্লাহ তা'আলার মহান অনুগ্রহের একটি অনুগ্রহ এবং এই নিয়ামতের একক মালিক হচ্ছেন মহান রাব্বুল আ'লামীন। সুতরাং এটি বিক্রি করে বিনিময় গ্রহণ করা যেরকম হারাম। ঠিক সেই-রকম অন্যকে দান করে আনন্দে আত্মহারা হওয়াও না-জায়েজ ও গোনাহের কাজ। শুধু এতটুকু ভাবা যেতে পারে! আমি আল্লাহর এক...

দান সদকাহ মানুষকে বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি দেয়।

Image
জনৈক ব্যক্তির বাড়ির পাশে ছিলো একটি গাছ। গাছে ছিলো একটি পাখির বাসা। বাসায় পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি হযরত সোলায়মান আ.-এর কাছে অভিযোগ দায়ের করলো। সোলায়মান আ. লোকটিকে ডেকে নিষেধ করলেন। নিষেধ অমান্য করে আবারো লোকটি পাখির ডিম খেয়ে ফেললো। নিরুপায় হয়ে পাখিটি পুনরায় সোলায়মান আ.-এর কাছে অভিযোগ করলো। এবার সোলায়মান আ. এক জিনকে নির্দেশ দিলেন, লোকটি আবার যখন গাছে চড়বে, তখন খুব জোরে তাকে ধাক্কা দিয়ে যেন নিচে ফেলে দেওয়া হয়। এতে ভয় পেয়ে যেনো লোকটি আর কোনোদিন গাছে চড়তে না পারে। আরেকদিন লোকটি পাখির ডিমের জন্য গাছে উঠতে যাবে, এমন সময় এক অভাবি লোক এসে হাঁক দিল বাবা! কিছু ভিক্ষা দিন। তখন লোকটি প্রথমে ভিক্ষুককে এক মুষ্টি খাবার দান করল। তারপর শান্ত মনে গাছ থেকে ডিম নামিয়ে খেয়ে ফেলল। পাখিটি আবার সোলায়মান আ.-এর কাছে অভিযোগ করলো। সোলায়মান আ. সেই জিনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নির্দেশ পালন করলে না কেন? জিন জবাব দিল, আমি আপনার নির্দেশ পালন করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম; এমন সময় পূর্ব ও পশ্চিম থেকে দু'জন ফেরেস্তা এসে আমাকে অনেক দূরে ফেলে দিল। সোল...

মানসিক প্রশান্তি অর্জনের প্রধান তিনটি মাধ্যম।

Image
(১) উত্তমভাবে নামাজ আদায় করা: . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন— يا بلالُ أقمِ الصلاةَ، أرِحْنا بها يا بلالُ أقمِ فَرِحْنا بالصلاةَ . ‘‘হে বিলাল! (আজানের মাধ্যমে) নামাজ কায়েম করো। আমরা নামাজের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করবো।’’ [আবু দাউদ, আস-সুনান: ৪৯৮৫-৪৯৮৬; হাদিসটি সহিহ] . (৩) কুরআন তিলাওয়াত করা: . নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে দু‘আ করতেন— . اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ . আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা আন তাজ‘আলাল কুরআ-না রাবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূ-রা সদরী, ওয়া জালা-আ ‘হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী (সতর্কতা: শুধু বাংলা দেখে কখনও বিশুদ্ধ উচ্চারণ শেখা যাবে না) . অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার নিকট চাই, যেন তুমি কুরআনকে করে দাও আমার হৃদয়ের বসন্ত (আগ্রহ-ভালোবাসা); আমার বক্ষের জন্য আলো; আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী। [আহমাদ, আল-মুসনাদ: ৩৭১২; আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ১৯৯, হাদিসটি সহিহ] . ৩. আল্লাহর যিকর করা: . আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন— . أَلآ بِذِكْرِ اللّٰهِ تَطْ...

রাগান্বিত অবস্থায় শিশুকে প্রহার করা উচিত নয়। মুফতি তকী উছমানী হাফিঃ

Image
হযরত থানভী রাহ. বলেন, ‘রাগান্বিত অবস্থায় কখনও শিশুকে প্রহার করবে না (পিতা ও উস্তাদ) উভয়ের জন্যই এই কথা)। রাগ প্রশমিত হওয়ার পর চিন্তা-ভাবনা করে শাস্তি দিবে। উত্তম শাস্তি হল ছুটি মওকুফ করে দেওয়া। শিশুর উপর এর খুব প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকে। মিয়াজী ছাত্র প্রহারে এজন্য স্বাধীন হয়ে যান যে, তাকে প্রশ্ন করার কেউ থাকে না। শিশুর তো প্রশ্ন করার যোগ্যতাই নেই আর অভিভাবক মিয়াজীকে পূর্ণ স্বাধীন করে দিয়েছেন এই বলে যে, ‘হাড্ডি আমাদের, আর চামড়া মিয়াজীর’! মনে রাখবে, যার অধিকার সম্পর্কে প্রশ্ন করার কেউ থাকে না তার সম্পর্কে প্রশ্নকারী স্বয়ং আল্লাহ। এমনকি কোনো যিম্মী (মুসলিম দেশের অমুসলিম নাগরিক, যার নিরাপত্তা মুসলিম শাসকের যিম্মায়) কাফিরের উপর যদি কোনো শাসক জুলুম করে তাহলে হাদীস শরীফে এসেছে যে, আল্লাহ ও তার রাসূলের কাছে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে। (আনফাসে ঈসা পৃ. ১৭৩) শিশুদেরকে প্রহার করা অত্যন্ত ভয়াবহ শিশুদেরকে প্রহার করা খুবই ভয়াবহ। আমাদের পিতা হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ. বলতেন, অন্যান্য গুনাহ তো তওবার মাধ্যমে মাফ হতে পারে, কিন্তু শিশুদের উপর জুলুম করা হলে এর ক্ষমা পাওয়া খুবই জটিল। ক...

দ্বীনি (ইসলামী) শিক্ষা অর্জন করা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ তা এই একটি হাদিস থেকেই অনুধাবন করা যায়।

Image
  হজরত আবু দারদাহ রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন- منْ سَلَكَ طَريقًا يَبْتَغِي فِيهِ علْمًا سهَّل اللَّه لَه طَريقًا إِلَى الجنةِ، وَإنَّ الملائِكَةَ لَتَضَعُ أجْنِحَتَهَا لِطالب الْعِلْمِ رِضًا بِما يَصْنَعُ، وَإنَّ الْعالِم لَيَسْتَغْفِرُ لَهُ منْ في السَّمَواتِ ومنْ فِي الأرْضِ حتَّى الحِيتانُ في الماءِ، وفَضْلُ الْعَالِم عَلَى الْعابِدِ كَفَضْلِ الْقَمر عَلى سَائِرِ الْكَوَاكِبِ، وإنَّ الْعُلَماءَ وَرَثَةُ الأنْبِياءِ وإنَّ الأنْبِياءَ لَمْ يُورِّثُوا دِينَارًا وَلا دِرْهَمًا وإنَّما ورَّثُوا الْعِلْمَ، فَمنْ أَخَذَهُ أَخَذَ بِحظٍّ وَافِرٍ . أخرجه الترمذي في سننه : رقم ٢٦٨٢ و اللفظ له ، و أبو داود في سننه , كتاب العلم : رقم ٣٦٤١ ; و ابن ماجه في سننه : رقم ٢٢٣ “যে ইলমের অন্বেষনে পথ ধরে অগ্রসর হয়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথকে সহজ করে দেন। আর ইলমের অন্বেষী যা (কিছু কষ্ট-ক্লেশ ও শ্রম বরদাস্ত) করে, তাতে ফিরেশতাকুল খুশি হয়ে তার জন্য অবশ্যই তাদের পালকগুলিকে বিছিয়ে দেয়। নিশ্চয়ই (একজন) আলেম (হল এমন মর্যাদাবান ব্যাক্তি) যার জন্য -আসমান সমূহে যারা আছে এবং জামিনে যারা আছে -এমন...

ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ শাখার পক্ষ থেকে মাওঃ জুয়েল- কে বিদায়ী সংবর্ধনা।

Image
  গত ১১/০৯/২০২১ইং রোজঃ শনিবার, বাদ মাগরিব। স্থানীয় নছিরগঞ্জ বাজারে #ছাত্র_জমিয়ত_নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার পক্ষ থেকে এক আলোচনা সভা ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় ছাত্র জমিয়ত হাজীপুর ইউ'পি শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল মাওঃ সাইফুল ইসলাম জুয়েল-কে উনার প্রবাস গমন উপলক্ষে ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। উক্ত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনঃ ছাত্র জমিয়ত শরীফপুর ইউ'পি শাখার সহ-সভাপতি মাওঃ ফখরুল ইসলাম। ছাত্র জমিয়ত শরীফপুর ইউ'পি শাখার সভাপতি মাওঃ অলিউর রহমান। ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সভাপতি ক্বারী মোঃ নাইমুল ইসলাম। ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সিনিয়র সদস্য মাওঃ শরীফুল ইসলাম। ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার প্রচার সম্পাদক মাওঃ হাসান আহমদ। ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সিনিয়র সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন। ছাত্র জমিয়ত নছিরগঞ্জ আঞ্চলিক শাখার সহ-কোষাধ্যক্ষ মোঃ মাহিন আহমদ প্রমুখ। পরিশেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মাওঃ সাইফুল ইসলাম...

মেয়েকে লেখা খতিব উবায়দুল হক রহ-এর চিঠি

Image
খতিব উবায়দুল হক রহ.- এর বড় মেয়ে রায়হানা হক সিলেটে তার দাদীর কাছে থাকতেন। যখন তার বিয়ের কথাবার্তা চলছিলো, সে সময় ১৬ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে আচার-ব্যবহারে ভদ্রতা ও নিপুণতা অর্জনের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে মেয়েকে পত্র লিখেছিলেন। চিঠিটির আংশিক তুলে ধরা হলো— স্নেহের…! এক বছর থেকে তোমার স্কুল শিক্ষা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তুমি লেখাপড়া ছেড়ে দিবে। বরং এখন আরও বেশি বেশি পড়া উচিত। লেখার চর্চা করাও দরকার। বিশেষভাবে দীনি কিতাবাদি এবং উর্দু বেহেশতী জেওর নিয়মিত পড়বে। দৈনিক দাদিজানের কাছে বসে বেহেশতী জেওর থেকে তিনি যতটুকু বলবেন ততটুকু পড়বে। তার কাছে জিজ্ঞেস করে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবে। কিতাব ছাড়াও আরেকটি বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা অত্যাধিক জরুরী। তা অর্জন করতে না পারলে ডিগ্রি অর্জন করার কোনো মূল্য থাকে না। এ জিনিসটি হচ্ছে ‘ছালিক্বা’ তথা আচার-ব্যবহারে ভদ্রতা ও নিপুণতা অর্জন এবং গৃহস্থ বিষয়ক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার শিক্ষা গ্রহণ। যে নারী এগুলো খেয়াল করে না, তাকে পদে পদে হোঁচট খেতে হয়। মানুষ তাকে ঘৃণা করে। পক্ষান্তরে যে মেয়ে এগুলো খেয়াল রাখে, লোকে তার তারিফ করে, সম্মান করে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে...

❝গল্প লেখার কৌশল❞

Image
লেখাটা “কীভাবে গল্প লিখবো” সেটা নিয়ে নয়। বরং “কীভাবে লিখতে হয়,” তা নিয়ে। যেমন ধরুন, আপনাকে একটা ঘর বানাতে বলা হলে আপনি কী কী বানাবেন? মেঝে, চারটা দেয়াল, ছাদ, জানালা, দরজা। যদি, আপনি খুব সুন্দর করে শুধু চারটা দেয়াল বানালেন। তাকে কী আমরা ঘর বলবো? কিংবা শুধু একটা দরজা বা কয়েকটা জানালা দিয়ে কী ঘর বানানো যায়? যায় না। যদি গল্প লেখাকে একটা ঘর ভাবি, তাহলে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এরও একটা মেঝে, চারটা দেয়াল, ছাদ, জানালা আর দরজা আছে। মানে একটা কাঠামো আছে। যেটা ছাড়া একটা “গল্প”, গল্প হয়ে ওঠে না। ঘরের সাথে তুলনা করলে বলা যায়, মেঝে হচ্ছে গল্পের প্লট। যার উপর গল্পটা অবস্থান করে। চারদিকের চারটা দেয়াল হচ্ছে কাহিনি। ছাদটাকে প্রধান চরিত্র (নায়ক/নায়িকা) ভাবতে পারি। জানালা হচ্ছে ছোট ছোট চরিত্রগুলো। আর দরজা প্রধান পার্শ্ব চরিত্র। আর... ঘরটাকে কত সুন্দরভাবে রং করতে পারবো, কত সুন্দরভাবে সাজাতে পারবো, সেটা হচ্ছে বর্ণনাভঙ্গি বা গল্প বলার ঢং। আর বাকিগুলোর মতো এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের চারপাশে তো হাজারটা ঘরবাড়ি। সবই কি আমাদের নজর কাড়ে? কাড়ে না। সুন্দর ডিজাইন আর সুন্দরভাবে রং করা আর সাজানো ঘরব...

কিয়ামতের দিন আরশের নিচে যারা পাবেন স্থান।

Image
আমরা মুসলিম সম্প্রদায়। পরকালে বিশ্বাসী। দুনিয়া ত্যাগ করার পরই ইহকাল শুরু হবে এটা বিশ্বাস রাখি। অর্থাৎ কবরের জিন্দেগী দ্বারা ইহকালের পরম সূচনা হবে। দুনিয়ার জীবন যদি নেক আমল দিয়ে সাজিয়ে যেতে পারি তাহলে কবরের জিন্দেগী হবে সুখ-শান্তিময়। জান্নাতের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হবে আমাদের কবর। অন্যথায় ভয়ঙ্কর শাস্তি দ্বারাই শুরু হবে আমাদের ইহকালের যাত্রা। জাহান্নামের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হবে আমাদের কবর। এতো গেল প্রথম ধাপের অতি অল্প কথা। দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে কবরের জিন্দেগী পরিসমাপ্ত হয়ে কেয়ামতের দিন কায়েম হবে। কিন্তু বিচার ব্যবস্থা শুরু হওয়ার পূর্বে আমাদের কিছুসময় কঠিন মুসিবতে পার করতে হবে। সেই কঠিন পরিস্থিতির সামান্য একটি উদাহরণ হচ্ছে, বর্তমানে সূর্য আর আমাদের মধ্যে দূরত্ব হচ্ছে প্রায় নয়শত মাইলের ব্যবধান। তারপরও যখন গরমের দিন সূর্যের তাপমাত্রা একটু বেড়ে যায়। আমাদের অবস্থা নাজুক হয়ে পরে। কখনো কখনো তো সহ্যের বাহিরেও চলে যায়। অথচ হাদিসে শরীফে এসেছে.. কিয়ামতের দিন সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সূর্য আমাদের মাথার মাত্র অর্ধহাত উপরে অবস্থান করবে। ভেবে দেখেছেন! তখন আমাদের অবস্থা কেমন হতে পারে? কিয়ামতের দিনের কঠ...

হাসির খুরাক এক সুস্থ বিনোদন।

Image
কিছু মহিলা মারা যাওয়ার পরও তার ভালোবাসার ভাগ অন্য কাউকে দিতে চায়না। আজ এরকম-ই একটি সুস্থ বিনোদনের কাহিনি বলব। এক স্ত্রী তার প্রিয়তম স্বামীকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি যখন মরে যাব! তখন তুমি দ্বিতীয় বিয়ের জন্য কতদিন অপেক্ষা করবে? স্বামী অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে উওর দিলেনঃ আমি তোমার কবর শুকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এর আগে কখনোই বিয়ে করবো নাহ। স্ত্রী বললঃ এটা কি তুমি আমার সাথে ওয়াদা করতেছো! স্বামী বললঃ হ্যাঁ ওয়াদা করলাম। এর কিছুদিন পর হটাৎ তার স্ত্রী মারা গেলেন। তারপর থেকে তিনি বেশ কয়েকবছর ধরে উনার প্রিয়তমা স্ত্রীর কবর জিয়ারত করেন। এবং একটা দীর্ঘসময় পার হওয়ার পরও একটি জিনিস লক্ষ করলেন, কবরটি এখনো শুকায়নি! অনেকদিন পর হটাৎ একদিন সন্ধ্যাবেলায় উনি জিয়ারতের উদ্দেশ্যে কবরস্থানে আসলেন। এবং সেখানে এসে তার প্রিয়তমা স্ত্রীর ভাইকে পেলেন। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন তুমি এখানে কি করো! তখন সে বললঃ আমি আমার বোনের শেষ অসিয়্যাতটি পূরণ করতে এসেছি।  তিনি আমাকে বলে গিয়েছিলেন তার মৃত্যুর পর যেন প্রত্যেকদিন তার কবরের উপর পানি ছিটিয়ে দেই। 😄 

নামাজের প্রতি সালেহীনরা কেমন যত্নশীল ছিলেন!

Image
আজকাল নামাজের প্রতি আমাদের কত গাফলতি আর অমনোযোগী। সেটা বলার বাহিরে চলে গেছে। আসুন সালেহীনদের দুটি অনুপ্রেরণামূলক বানী পড়ি! 🌴 يقول ابن الجوزي (رحمه الله): رأيتُ عجوزاً تتوضأ قبل الظهر بدقائق فسألتها: هل أذَّنَ؟ فقالتْ: أنا أذهبُ إلى الله قبل أن يُناديني! ইবনে জাওযী রহঃ বলেন, আমি জোহরের ওয়াক্তের আগে একজন বৃদ্ধকে ওজু করতে দেখেছিলাম। তাই তাকে জিজ্ঞেস করলাম আজান কি হয়ে গিয়েছে! তখন সেই বৃদ্ধলোক আমাকে বললেন, আমি আল্লাহর নিকট যেতে চাই তিনি আমাকে ডাকার আগেই। 🌴 و‌‎سئل أحد الصالحين: لماذا تذهب إلى المسجد قبل الآذان؟ فقال: الآذان لتنبيه الغافلين و أرجو ألا أكون منهم".   [التبصرة لابن الجوزي، ١٣١ ] একজন সালেহীনকে জিজ্ঞেস করা হল! আপনি আজানের পূর্বে কেন মসজিদে যান? তখন তিনি উওর দিলেন, আযান তো হচ্ছে গাফিলদের (অলসদের) জন্য। আর আমার আশা আমি যেন তাদের মধ্যে না  হই। সুবহানাল্লাহ নামাজের প্রতি তাদের কত মনোযোগ আর গুরুত্ব ছিল! অথচ আজ আমরা সামান্য সুযোগ পেলেই নামাজ কাযা করে ফেলি। আল্লাহ আমাদেরকে সালফে সালেহীনদের মত হওয়ার এবং প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সহিত আদায় করার...

মৃত্যু নিয়ে ইনবক্সে আসা একটি মেসেজ।

Image
মৃত্যু নিয়ে লেখা কথাগুলো খুব সুন্দর এবং উপকারী ছিল। আমরা মৃত্যুর কথা ভুলে যাই অথচ মৃত্যু আমাদের খুবই নিকটে। মুমিনের সবসময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা অতি প্রয়োজন। অথচ আমরা দুনিয়ার সমস্ত সুখ-শান্তির স্বপ্নে বিভোর হয়ে পরকালের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ভুলেই যাই! সুন্দরই ছিল লেখাটি কিন্তু মৃত্যু নিয়ে লেখা সেই মেসেজটির শেষের প্যারাটা আমার কাছে অন্যরকম লাগলো! সেটা এরকম ছিল.... " 90% লোক এই মেসেজটি ফরওয়ার্ড করেনি। কিন্তু তুমি নিশ্চয় করবে। কারণ আল্লাহর দিনের খবর দিতে দেরি করতে নেই। অবশ্য যে আল্লাহর কাজে লেগে যায় আল্লাহ নিজে তার কাজে লাগে" আচ্ছা এগুলো লেখার মানে কি এটা নয়! মানুষের আবেগকে পূঁজি করে অর্থাৎ মানুষকে ইমোশনালভাবে ব্লাকমেইল করে লেখাটি বেশি বেশি ফরওয়ার্ড করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া ? অধিকাংশ সময় দেখা যায় এই টাইপের বিভিন্ন লেখা ভাইরাল হয়। কখনো ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আবার কখনো ম্যাসেঞ্জারে মেসেজের মাধ্যমে। তবে এ ব্যাপারে বিজ্ঞ মহলের কাছ থেকে যতটুকু জানতে পেরেছি এইগুলোর মুলত কোনো ভিত্তি নেই। কিছু মানুষ ধর্মকে পূঁজি করে এইগুলো ভাইরাল করতে চায়। তাদের মুলত নিয়ত ...

জাতির দুঃসময়ে আলেম'রাই সর্বপ্রথম পাশে আসে।

Image
করোনা ভাইরাসের এই মর্মান্তিক মহামারীতে গুটা বিশ্ব আজ আতংকিত। ভাইরাসে আক্রান্তীত মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে সংক্রমণের ভয়ে আপন আত্নীয় সজনও পাশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। আর গরীব দুঃখী পরিবারের মানুষরা লকডাউনে যখন খাদ্য শূন্যতার অভাবে দিনপাত কাটাচ্ছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন না পারছে নিজের দুঃখ-কষ্টের কথা কাউকে বলতে আবার না পারছে মুখগুটিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকতে। পথশিশু, ভিক্ষুক, ৩য় শ্রেণির, কথা আর নাই'বা বললাম! এদিকে সরকারের কথা আর কি বলবো! সরকার সাধ্যানুযায়ী যা-কিছুই দিয়েছিল এইকিছু দিনে মানুষ জেনে গেছে অর্ধেক ডুকেছে চেয়ারম্যান ও সংলিষ্টদের পকেটে আর অর্ধেক কোনরকম কাটশাট করে হয়তো কিছু মানুষ পেয়েছে। যা নিত্যপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আমার কাছে কমই বলে মনে হয়। অথচ কিছু মানুষকে আমরা অতীতে দেখেছি রাস্তায় রাস্তায় মানবতার স্লোগান দিয়ে পুরো আশপাশ কাপিয়ে দিতে কিন্তু এই ভয়াল সময়ে তাদেরকেও তেমন নজরে পরেনি। কিন্তু বাংলাদেশ এখন কিছু আসল মানবতার ফেরিওয়ালাদেরকে দেখতেছে। আলহামদুলিল্লাহ জাতির এই ক্লান্তলগ্নে মানুষ আজ আসল মানবাধিকার কর্মীদের খুঁজে পেয়েছে। অথচ টিভির পর্দাতে আর বিরিয়ানির পকেট দেওয়ার আশ্বাসে কিছু প...

মুমিন দুনিয়ার চেয়ে আখেরাতকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

Image
দুনিয়ার এই ধন-সম্পদের লোভ লালসা আর পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্খার চেয়ে আখেরাতের নিয়ামতগুলাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ। কারণ দুনিয়ার এই সুখশান্তি ক্ষণস্থায়ী যা কখনো স্থায়ী হয়না। আর আখেরাতের নিয়ামতগুলা হবে চিরস্থায়ী। এবং ইচ্ছা স্বাধীন। যখন যা প্রয়োজন হবে তা মুখে উচ্চারণ করার আগেই সামনে হাজির হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ।

সালাফদের মধ্যে আর আমাদের মধ্যে কত বড় পার্থক্য!

Image
রামাদান মাস শেষ হওয়া মাত্রই আমরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই। অনেকে তো এটা মনে করি যে, আহ এই একটা মাস সারাদিন উপবাস থেকে কত কষ্ট করেছি! এখন নাহয় একটু শান্তি পেলাম দিনের বেলা উদর ভরে খেলেও আর কোনো সমস্যা নেই। শান্তির দিন চলে এসেছে এখন মন যা চায় তাই করতে পারবো। আরও কত সুখচিন্তা! অথচ সালাফদের (অর্থাৎ সালফে সালিহিন) জীবনী তালাশ করলে পাওয়া যার এর ব্যতিক্রম ও আশ্চর্যজনক ভিন্নকিছু। তাদের যখন রামাদান মাস শেষ হয়ে যেত তখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পরতেন। আমি কি রামাদানে আমার গোনাহগুলো থেকে মুক্তি পেয়েছি? আল্লাহ কি মাফ করে দিয়েছেন? রামাদানের পূর্ণ ফজিলত কি আমি অর্জন করতে পেরেছি? এরকম পূর্ণময় মাস কি আমার জীবনে আবার আসবে? এরকম হাজারো চিন্তা-ভাবনায় তারা রামাদান শেষ হওয়ার পর থেকে একাধারে পুরো ছয়টা মাস কাটিয়ে দিতেন। আর পরবর্তী ছয় মাস তারা দ্বিতীয় রামাদানের প্রস্তুতি নিতে নিতে কাটিয়ে দিতেন। সুবহানাল্লাহ তাদের চিন্তাধারা কোথায় আর আমারা কোথায়? আল্লাহর নেক বান্দারা এভাবেই পুরো বৎসর অতিবাহিত করে দিতেন। আহ আমরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাই অথচ তাদের অনুসরণ করিনা! আমাদের মত হতভাগা আর কে হতে পারে এই দুনিয়ায়? ...