Posts

মৃত্যু নিয়ে ইনবক্সে আসা একটি মেসেজ।

Image
মৃত্যু নিয়ে লেখা কথাগুলো খুব সুন্দর এবং উপকারী ছিল। আমরা মৃত্যুর কথা ভুলে যাই অথচ মৃত্যু আমাদের খুবই নিকটে। মুমিনের সবসময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা অতি প্রয়োজন। অথচ আমরা দুনিয়ার সমস্ত সুখ-শান্তির স্বপ্নে বিভোর হয়ে পরকালের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ভুলেই যাই! সুন্দরই ছিল লেখাটি কিন্তু মৃত্যু নিয়ে লেখা সেই মেসেজটির শেষের প্যারাটা আমার কাছে অন্যরকম লাগলো! সেটা এরকম ছিল.... " 90% লোক এই মেসেজটি ফরওয়ার্ড করেনি। কিন্তু তুমি নিশ্চয় করবে। কারণ আল্লাহর দিনের খবর দিতে দেরি করতে নেই। অবশ্য যে আল্লাহর কাজে লেগে যায় আল্লাহ নিজে তার কাজে লাগে" আচ্ছা এগুলো লেখার মানে কি এটা নয়! মানুষের আবেগকে পূঁজি করে অর্থাৎ মানুষকে ইমোশনালভাবে ব্লাকমেইল করে লেখাটি বেশি বেশি ফরওয়ার্ড করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া ? অধিকাংশ সময় দেখা যায় এই টাইপের বিভিন্ন লেখা ভাইরাল হয়। কখনো ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আবার কখনো ম্যাসেঞ্জারে মেসেজের মাধ্যমে। তবে এ ব্যাপারে বিজ্ঞ মহলের কাছ থেকে যতটুকু জানতে পেরেছি এইগুলোর মুলত কোনো ভিত্তি নেই। কিছু মানুষ ধর্মকে পূঁজি করে এইগুলো ভাইরাল করতে চায়। তাদের মুলত নিয়ত ...

জাতির দুঃসময়ে আলেম'রাই সর্বপ্রথম পাশে আসে।

Image
করোনা ভাইরাসের এই মর্মান্তিক মহামারীতে গুটা বিশ্ব আজ আতংকিত। ভাইরাসে আক্রান্তীত মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে সংক্রমণের ভয়ে আপন আত্নীয় সজনও পাশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। আর গরীব দুঃখী পরিবারের মানুষরা লকডাউনে যখন খাদ্য শূন্যতার অভাবে দিনপাত কাটাচ্ছে। মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন না পারছে নিজের দুঃখ-কষ্টের কথা কাউকে বলতে আবার না পারছে মুখগুটিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকতে। পথশিশু, ভিক্ষুক, ৩য় শ্রেণির, কথা আর নাই'বা বললাম! এদিকে সরকারের কথা আর কি বলবো! সরকার সাধ্যানুযায়ী যা-কিছুই দিয়েছিল এইকিছু দিনে মানুষ জেনে গেছে অর্ধেক ডুকেছে চেয়ারম্যান ও সংলিষ্টদের পকেটে আর অর্ধেক কোনরকম কাটশাট করে হয়তো কিছু মানুষ পেয়েছে। যা নিত্যপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আমার কাছে কমই বলে মনে হয়। অথচ কিছু মানুষকে আমরা অতীতে দেখেছি রাস্তায় রাস্তায় মানবতার স্লোগান দিয়ে পুরো আশপাশ কাপিয়ে দিতে কিন্তু এই ভয়াল সময়ে তাদেরকেও তেমন নজরে পরেনি। কিন্তু বাংলাদেশ এখন কিছু আসল মানবতার ফেরিওয়ালাদেরকে দেখতেছে। আলহামদুলিল্লাহ জাতির এই ক্লান্তলগ্নে মানুষ আজ আসল মানবাধিকার কর্মীদের খুঁজে পেয়েছে। অথচ টিভির পর্দাতে আর বিরিয়ানির পকেট দেওয়ার আশ্বাসে কিছু প...

মুমিন দুনিয়ার চেয়ে আখেরাতকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

Image
দুনিয়ার এই ধন-সম্পদের লোভ লালসা আর পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্খার চেয়ে আখেরাতের নিয়ামতগুলাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ। কারণ দুনিয়ার এই সুখশান্তি ক্ষণস্থায়ী যা কখনো স্থায়ী হয়না। আর আখেরাতের নিয়ামতগুলা হবে চিরস্থায়ী। এবং ইচ্ছা স্বাধীন। যখন যা প্রয়োজন হবে তা মুখে উচ্চারণ করার আগেই সামনে হাজির হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ।

সালাফদের মধ্যে আর আমাদের মধ্যে কত বড় পার্থক্য!

Image
রামাদান মাস শেষ হওয়া মাত্রই আমরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই। অনেকে তো এটা মনে করি যে, আহ এই একটা মাস সারাদিন উপবাস থেকে কত কষ্ট করেছি! এখন নাহয় একটু শান্তি পেলাম দিনের বেলা উদর ভরে খেলেও আর কোনো সমস্যা নেই। শান্তির দিন চলে এসেছে এখন মন যা চায় তাই করতে পারবো। আরও কত সুখচিন্তা! অথচ সালাফদের (অর্থাৎ সালফে সালিহিন) জীবনী তালাশ করলে পাওয়া যার এর ব্যতিক্রম ও আশ্চর্যজনক ভিন্নকিছু। তাদের যখন রামাদান মাস শেষ হয়ে যেত তখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পরতেন। আমি কি রামাদানে আমার গোনাহগুলো থেকে মুক্তি পেয়েছি? আল্লাহ কি মাফ করে দিয়েছেন? রামাদানের পূর্ণ ফজিলত কি আমি অর্জন করতে পেরেছি? এরকম পূর্ণময় মাস কি আমার জীবনে আবার আসবে? এরকম হাজারো চিন্তা-ভাবনায় তারা রামাদান শেষ হওয়ার পর থেকে একাধারে পুরো ছয়টা মাস কাটিয়ে দিতেন। আর পরবর্তী ছয় মাস তারা দ্বিতীয় রামাদানের প্রস্তুতি নিতে নিতে কাটিয়ে দিতেন। সুবহানাল্লাহ তাদের চিন্তাধারা কোথায় আর আমারা কোথায়? আল্লাহর নেক বান্দারা এভাবেই পুরো বৎসর অতিবাহিত করে দিতেন। আহ আমরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাই অথচ তাদের অনুসরণ করিনা! আমাদের মত হতভাগা আর কে হতে পারে এই দুনিয়ায়? ...

ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত।

Image
তুমি ইসলামের পথে আসলে তুমিই বিজয়ী হবে। এমনটা নয় যে, তুমি ছাড়া ইসলাম বিজয়ী হবেনা। বরং দ্বীনের পথে ফিরে না আসলে মূলত তুমিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সুতরাং তোমাকে সাথে নিয়ে অথবা তোমাকে ছাড়াই ইসলাম বিজয়ী হবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন, "নিশ্চয় আল্লাহর কাছে মনোনীত ধর্ম একমাত্র ইসলাম"। "মহানবী (সাঃ) এর জীবন তোমাদের জন্য উওম আদর্শ"। (আল-কোরআন) 

শবে বরাত; মুক্তির রজনী

Image
শবে বরাত এটি হচ্ছে একটি ফার্সি শব্দ (শবে বারাআত) যার বাংলা অর্থঃ মুক্তির রজনী। এই রাতটি নিঃসন্দেহে একটি বরকতময় রাত। হাদিসে এ রাতের অসংখ্য ফজিলত বর্ননা করা হয়েছে। তারমধ্যে একটি হাদিস হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ শবে বরাতের রাতটি এমন একটি রাত, যে রাতে আল্লাহ তায়া’লা দুনিয়ার সর্বশেষ আসমানে নেমে আসেন। এবং বান্দাদেরকে মাফ করে দেন। অন্য হাদিসে আরো চমৎকারভাবে এসেছে আল্লাহ তায়া’লা সর্বশেষ আসমানে এসে বান্দাদেরকে ডাকতে থাকেন। আছো কি এমন কেউ ক্ষমা চাওয়ার? আজ আমি ক্ষমা করে দিব। আছো কি এমন কেউ রোগমুক্তি চাওয়ার? আজ আমি রোগমুক্ত করে দিব। সুবহানাল্লাহ কি সুবর্ণ সুযোগ! তাই আসুন আমরা ফজিলতপূর্ণ এই রাত্রিতে নিজের জীবনের সমস্ত গোনাহের কথা স্বরণ করে করে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করি। এবং "করোনা ভাইরাস" নামক এই প্রাণঘাতী মহামারী, যা নিশ্চয় আমাদের পাপের কারণে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি গজব। তাই এ মহামারী থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহ তায়া’লার কাছে বেশি বেশি দোয়া করি। সাথে সাথে পবিত্র কুরআন শরীফের তেলাওয়াত এবং নফল নামাজ আদায় করতে পারি। আল্লাহ আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন।